কাঁচা আম দিয়ে পোনা মাছ রান্না করে বাংলাদেশি নারী মাস্টার শেফ অস্ট্রেলিয়া

শেয়ার সোশ্যাল মিডিয়া

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: মাস্টার শে’ফ অস্ট্রেলিয়া। এটি মূলত ব্রিটি’শ মাস্টার শেফের উপর ভিত্তি ক’রে তৈরি। একটি অস্ট্রেলিয়ান ‘প্রতিযোগিতামূলক রা’ন্নার গেম শো। যেখানে অপেশা’দার রন্ধনশিল্পীরা মাস্টার শে’ফ অস্ট্রেলিয়া জয়ের জন্য’ প্রতিযোগিতা করে। এই রা’ন্না বিষয়ক গেম শোটি প্রযো’জনা করে শাই’ন অস্ট্রেলিয়া এবং এটি প্রচারিত ‘হয় সেই দেশের নেটওয়ার্ক-১০ নামে একটি’ চ্যানেলে।

সেই রা’ন্না বিষয়ক গেম শোতে অংশ নিয়েছেন কিশো’র নামে এক প্রবাসী বাংলা’দেশি নারী। তার রান্না দি’য়ে জয় করেছেন মাস্টার’ শেফ অস্ট্রেলিয়ায়’ গেম শোয়ের প্রথম রাউন্ড। প্রথম রাউন্ডে অনে’ককেই পরাজিত করে তিনি এখন শীর্ষ ২৪ এ ‘অবস্থান করছে’ন।

এ নিয়ে মা’স্টার শেফ অস্ট্রেলি’য়ায় ফ্যান পেজে কিশোরের সেই রা’ন্নার একটি ভিডিও তুলে ধরেছে। যেখানে কিশোর তার রা’ন্না ও অতীতের কিছু ‘স্মৃতি শেয়া’র করে’ছেন।

ওই ভিডিও’তে দেয়া সাক্ষাতকারে কিশোর ব’লেন, ‘আমি কিশোর। আমার বয়স ৩৮। আ’মি দুই সন্তানের মা। ‘আমি ভিক্টোরিয়া ‘থেকে মেলবোর্ন এসে’ছি। আমার বাচ্চারা, আমার’ মা-বাবা সবাই আমার ‘কাছে বাংলাদেশি ‘রান্না দেখতে’ চায়।’

তিনি’ বলেন, আজকে আমি সামুদ্রি’ক পোনা মাছ কাঁচা আমে’র সঙ্গে টুকরো দিয়ে রান্না করব। মাছগু’লোর আঁশ পরিষ্কার করে ‘এগুলো আ’মি ভেজে ‘নেব।

আমার মা’ধ্যমে সত্যিই বাংলাদেশি খাবা’র অস্ট্রেলিয়ার খাদ্য তালিকা’র মধ্যে যুক্ত হচ্ছে। কি’ন্তু কিছু বিষয় আমাকে পে’ছনে টান’ছে।

আমি আমার শৈশবে’ খাবার তৈরির নোট নি’তাম এবং ভুলে যেতা’ম। মা আমাকে বলতেন, ‘যদি আমি তোমাকে ‘ছেড়ে যাই, পুরো দুনি’য়া তোমাকে ছেড়ে’ যাবে। আমি এই’ রান্নার কাজ ছেলে’বেলা থেকে’ই করি।

তবে আমি’ আমার স্বপ্নপূর’ণে খুব স্বার্থপর। কিন্তু তা’রা খুব সহযোগিতা করেছি’ল, অনুপ্রাণিত করেছি’ল। আমি জানি এ’ই অর্জন তাদের জ’ন্যই।

কান্নায় ভে’ঙে পড়ে কিশোর বলে’ন, ‘আমার জীবনের ল’ক্ষ্য ছিল একটি বাংলা’দেশি রেসিপির বই লেখা। কি’ন্তু আমার সন্তা’ন মিকা আর সারফিনা’র জন্য তা শেষ করা হয়ে উঠে ‘না। কিন্তু আমি এটা সত্যিই শে’ষ করতে চাই।’’

ভিডি’ওর শেষের দিকে বি’চারকরা তাকে পরবর্তী ‘রাউন্ডের জন্য সিলেক’শন করলে কিশোর আবেগা’প্লুত হয়ে পড়েন। এবং’ বিচারক’দের কান্নাজ’ড়িত কণ্ঠে ধন্যবা’দ জানা’ন।

এ সম\য় বিচারকরা বলে\ন, তুমি এখান থে’কে যাও এবং তোমার সাফ’ল্যের কথা তোমার ‘পরিবারকে’ জানাও।

এরপর বাংলাদে’শি প্রবাসী কিশোর বাইরে বে’র হয়ে তার পরিবারে’র সঙ্গে ভিডিওতে এই ভাল লাগা’র মূহূর্তটি শেয়ার’ করে বলেন, ‘আমি ‘এইমাত্র বিচা’রকদের কাছ থেকে আসলাম।’ এই মুহূর্তটি আস’লেই আনন্দদায়’ক। তারা আমাকে’ এটা দি’য়েছে।’

ভিডিও

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *