বাজারে মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি, নেই সচেতনতা

শেয়ার সোশ্যাল মিডিয়া

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: রাজধা’নীর বাজারগুলো’তে লকডাউনের মধ্যেও প্রতিদিন’ শত শত মানুষের আনাগোনা’। বিক্রেতারা জীবিকার তা’গিদে দোকান খু’লে বসছেন। আবার নিত্যপ্র’য়োজনীয় পণ্যের চাহিদা’ মেটাতে বাজারে আ’সছেন ক্রেতারা। সেই সঙ্গে রো’জার মাস হওয়ায় ইফতারে’র আগ মুহূ’র্তে বাজারে মানুষের আ’নাগোনা আরও বেড়ে যায়। বাজারগুলোতে স্বাস্থ্য’বিধি যেন একেবারেই উধাও। সচেত’নতার ন্যূনতম বালাইটু’কুও নেই।

লকডাউ’নের শুরুতে মানুষকে বিধি-নিষেধ মানাতে কি’ছুটা তোরজোড় থাকলেও এখন’ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা’ও চোখে পড়ছে না। দেশে প্র’তিদিন এত মানুষ আক্রান্ত’ হচ্ছেন, মারা যাওয়ার সং’খ্যাটাও নেহাতই কম’ নয়। তাতেও যে’ মানুষের ট’নক ন’ড়ছে না।

এদিকে সংশ্লি’ষ্টরা বলছেন, বাজার-শপিংম’লগুলোতে এমন পরিস্থিতি চলতে থাক’লে সংক্রমণ আরও বা’ড়ার সম্ভাবনা রয়ে’ছে। এখনই ‘সতর্ক না হলে সামনের অব’স্থা আরও ভয়াবহ হবে। এ’ অ’বস্থায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে’ই বাইরে চলাচল করা’ উচিত।

করোনা সংক্রমণ’রোধে গত ১৪ এপ্রিল থে’কে চলছে লকডাউন। মানুষ যাতে সা’মাজিক দূরত্ব ও স্বা’স্থ্যবিধি মেনে চলে সে’ই উদ্দেশ্যেই লক’ডাউন দেয়া হয়ে’ছে। কিন্তু বাস্তবচিত্র এ’কেবারেই ভিন্ন। করো’না নিয়ে মানু’ষের উদাসী’নতা কাটছেই না।

সোমবার (৩ মে) ‘সব’চেয়ে বড় পাইকারি ও খুচ’রা বাজার কারওয়ানবাজারে গিয়ে ‘দেখা যায়, একজন ‘আর একজনে’র গায়ের সঙ্গে’ গা ঘেঁষেই কেনাকাটা করছেন। ক্রেতাদের মুখে মাস্ক দেখা গে’লেও বেশিরভাগ বিক্রেতার মুখে নেই ‘মাস্ক। কেউ রেখেছে’ন থুতনিতে, ‘কেউ পকেটে’। অজু’হাতেরও অভাব নেই তাদের। ‘এদিকে বাজারের সামনের রাস্তায় ব্যক্তি’গত গাড়িতে যান’জট লেগেই থাকে। সেখানে’ও দেখা যায় মানু’ষের জট’লা।

কারওয়া’ন বাজারের ফল বিক্রেতা স’বুজ দুপুরের পর থেকেই ‘ব্যস্ত সময় পার করছেন।’ ‘কোনও দিকে খেয়াল দেয়া’র সময়টুকুও নেই’। সেই’ সঙ্গে মুখে নেই মাস্ক। হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজ করা’র ফুসরত কোথায়। ক্রেতারা পণ্য কিনে টা’কা দিলে পকেটে রেখে সেই হাত দি’য়েই মুছে নিচ্ছেন ‘নাকে-মুখে জমে’ ‘থাকা ঘাম। সেই হা’ত যাচ্ছে চোখে’ও।

জানতে চাই’লে এই ফল বিক্রেতা বলেন, মাস্ক পরা উচি’ত জানি। পকেটে ‘আছে কিন্তু গরম লাগে তাই পরে’ থাকতে পারি ‘না।

আর এক বি’ক্রেতা হোসেনের কাছে জানতে চাইলে ‘দ্রুত পকেট থেকে মাস্ক বের ক’রে পরতে পরতে বলেন, মা’স্ক সবসম’য়ই পরি কি’ন্তু একটু আগেই খুলছি। ‘এইডা পরে কথা কই’তে কষ্ট হয়, গর’ম লাগে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *