আমদানি বৃদ্ধিতে কর্মমুখর চাঁদপুরের ইলিশ বাজার

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর নিউজ: মৌসুমের মাঝামাঝি সময়ে এসে ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে চাঁদপুরের মাছঘাটে। এতে করে কর্মমুখর সময় কাটছে ব্যবসায়ী ও শ্রমিকদের। দাম নাগালের মধ্যে থাকায় ক্রেতারাও সন্তুষ্টি প্রকাশ করছেন বাজারে এসে।

চাঁদপুরে মৌসুমের শুরু থেকে ইলিশের দেখা না পেলেও বর্তমানে মাছের আমদানি বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশের দক্ষিণাঞ্চল ও সাগর মোহনায় জেলেদের জালে ধরা পড়ছে ঝাঁকে ঝাঁকে রুপালি ইলিশ। ধরা পড়া ইলিশ নৌকা ও ট্রাকে করে চাঁদপুরের বড় স্টেশন মাছঘাটে নিয়ে আসছে জেলেরা।

একই সঙ্গে চাঁদপুরের জেলেরাও আগের চেয়ে বেশি মাছ পাচ্ছে নদীতে। বাজারে ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় কর্মচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে শ্রমিক ও ব্যবসায়ীদের মাঝে।

ইলিশ ব্যবসায়ী বারী জমাদার, আকবর আলী জানান, ভোলা, বরিশাল, লক্ষ্মীপুর, আলেকজান্ডার, সন্দীপ, হাতিয়াসহ দেশের দক্ষিণাঞ্চল থেকে ইলিশে বেশি আমদানি হচ্ছে। বর্তমানে মাছঘাটে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার মণ ইলিশ আমদানি হচ্ছে। এর মধ্যে চাঁদপুরের স্থানীয় নদীর মাছ আমদানি হচ্ছে ৫শ’ থেকে ৬শ’ মণ। ইলিশের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় দামও সাধারণ ক্রেতাদের নাগালের মধ্যে রয়েছে বলে জানান তারা।

বাজারে ইলিশ কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন, বছরের অন্যান্য সময়ের চেয়ে বর্তমানে ইলিশের দাম তুলনামূলক কিছুটা কম রয়েছে। এতে করে আমরা ইলিশের স্বাদ নিতে পারছি। তবে স্থানীয় নদীর ইলিশের আমদানি কম থাকায় এর দাম কিছুটা বেশি।

বর্তমানে ৫শ’ থেকে ৬শ’ গ্রাম ওজনের ইলিশ কেজি প্রতি ৫শ’ টাকা, ৭শ’ থেকে ৯শ’ গ্রামের ইলিশ কেজি প্রতি ৬শ’ থেকে সাড়ে ৬শ’ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

তা ছাড়া এক কেজি সাইজের ইলিশ সাড়ে ৭শ’ থেকে সাড়ে ৭শ’ টাকা এবং দেড় কেজি ওজনের ইলিশ বিক্রি হচ্ছে এক হাজার টাকা দরে। স্থানীয় নদীর ইলিশ প্রকার ভেদে ৫০ টাকা থেকে একশ’ টাকা বেশি দরে বিক্রি করা হচ্ছে।

চাঁদপুর মৎস্য বণিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শবে বরাত বলেন, মৌসুমের শুরুতে ইলিশ না পাওয়ায় ব্যবসায়ীরা আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে। ইলিশের আমদানি বৃদ্ধিতে হাসি ফুটেছে ব্যবসায়ীদের মুখে। মাছের আমদানি বৃদ্ধি পাওয়ায় আমাদের কর্মচঞ্চলতা বৃদ্ধি পেয়েছে অনেক। ইলিশের আমদানি অব্যাহত থাকলে আমরা লোকসান কাটিয়ে লাভের মুখ দেখতে পারবো বলে আশা করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *