রয়টার্স-ইপসোস জরিপে ট্রাম্পের চেয়ে সামান্য এগিয়ে বাইডেন

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: জমজমাট এক লড়াই হতে চলেছে যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে। রয়টার্স-ইপসোসের চালানো জনমত জরিপে দেখা গেছে, সুইং স্টেটগুলোতে (যেসব রাজ্যের ভোটাররা কোনো প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার ব্যাপারে নিশ্চিত নন) রিপাবলিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চেয়ে খুবই সামান্য ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। মূলত এ রাজ্যগুলোই প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়-পরাজয়ের নির্ধারক শক্তি। শনিবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

অনলাইনের মাধ্যমে চলতি মাসের প্রথম দিকে ছয়টি সুইং স্টেটে জরিপটি চালায় রয়টার্স-ইপসোস। চলতি সপ্তাহে এর ফল প্রকাশিত হয়। তাতে দেখা গেছে, ফ্লোরিডা ও নর্থ ক্যারোলাইনা রাজ্যে বাইডেন ও ট্রাম্পের পক্ষে জনমত সমান সমান। অন্যদিকে অ্যারিজোনা ও পেনসিলভানিয়ায় যথাক্রমে এক ও তিন পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। উইসকনসিন ও মিশিগানে ট্রাম্পের চেয়ে বাইডেন পাঁচ পয়েন্ট এগিয়ে রয়েছেন।

এই ছয়টি রাজ্যকে আসন্ন নির্বাচনে সবচেয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাজ্য হিসেবে ধরা হচ্ছে। এখানকার ভোটাররাই নির্ধারণ করে দেবেন বাইডেন নতুন প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন, নাকি ট্রাম্পই আরেক মেয়াদে থাকবেন হোয়াইট হাউসে। এ রাজ্যগুলোতে বাইডেন ও ট্রাম্পের কেউই নিশ্চিত ব্যবধানে এগিয়ে নেই। তবে জাতীয় জনমত জরিপে এগিয়ে রয়েছেন বাইডেন। গত সোম ও মঙ্গলবার চালানো এ জরিপে দেখা গেছে, ট্রাম্পের চেয়ে আট পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে বাইডেন।

২০২০ সালের নির্বাচনেও ২০১৬ সালের নির্বাচনের মতো মিশ্র ফলের দেখা মিলতে পারে। গত নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ভোট বেশি পেয়েছিলেন। তবে ভোট কম পেয়েও ইলেকটোরাল কলেজে জিতে হোয়াইট হাউসে যাওয়ার সুযোগ পান ট্রাম্প। এবারও এমনটা হতে পারে। জনমত জরিপ অনুযায়ী বেশি ভোট পেয়েও হয়তো ইলেকটোরাল ভোটে হেরে যেতে পারেন বাইডেন। ২০১৬-এর নির্বাচনের মতোই জিতে যেতে পারেন ট্রাম্প।

রয়টার্স-ইপসোস জরিপে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন চোখে পড়েছে। কখনোই কলেজে পড়েননি- এমন শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে ডেমোক্রেটিক পার্টির জনপ্রিয়তা বেড়েছে। করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতার জন্য জাতীয়ভাবে ট্রাম্প সমালোচিত হলেও আশ্চর্যজনকভাবে সুইং স্টেটগুলোর ভোটাররা এ নিয়ে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখাননি। এ ছাড়া সুইং স্টেটের বেশিরভাগ ভোটার মনে করেন, অর্থনীতি নিয়ন্ত্রণে বাইডেনের চেয়ে ট্রাম্প যোগ্য।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *