“বিসিএস-এ নেগেটিভ মার্ক-এর থাবা”

Spread the love
বিসিএস-এ নেগেটিভ মার্ক-এর থাবা
আবদুল-আল-মামুন

বিসিএস-এ নেগে’টিভ মার্ক একটা গুরুত্ব’পুর্ণ বি’ষয়। আপ’নি যত ক’ম নেগে’টিভ মা’র্ক পা’বেন তত বে’শি প্রিলি’তে টিকা’র সম্ভাব’না থাক’বে। আপ’নি যত’ কম দাগা’বেন ত’ত বেশি ন’ম্বর পাওয়ার চা’ন্স থাক’বে। এখন প্র’শ্ন হ’লো আপ’নি বুঝ’বেন কীভা’বে কম দা’গাতে হবে? এটা আ’পনি তখ’নই বুঝ’তে পার’বেন যখন ঘ’রে ব’সে বা অন্য’ কো’নভাবে ম’ডেল টে’স্ট দে’বেন এবং আ’পনার প্রস্তু’তি য’দি ব্যাপ’ক ও গ’ভীর হয়।

আ’মি ৩৩তম বি’সিএস-এ ৯৬ টা দাগি’য়েছিলাম তা’তে ভুল হ’য়েছে ২৬টা। ফ’লে মে’রে-কে’টে স্কো’র হয় ৫৮। ত’খন যা’রা ৬৫(১০০ নম্বরে’র মধ্যে) পেয়ে’ছিল তা’রা রিটে’ন দে’ওয়ার সু’যোগ পেয়ে’ছিল। ৩৪তম বিসিএ’স-এ দা’গিয়েছিলাম ৮৫টা। মে’রে-কেটে’ ৬২। সেই বা’র খুব স’ম্ভবত ৬৪ বা ৬৫ ডে’কেছিল। ৩৫ ত’ম বিসিএ’স ছিল স’বার জ’ন্য এক’টা গুগ’লি। পিএ’সসি তার চিরা’চরিত রূ’প ভে’ঙ্গে নতু’ন রূ’পে আবির্ভূ’ত হয়। বিসি’এস ইতিহা’সে অন্য’তম ক’ঠিন প্রশ্ন। প্র’শ্ন পাও’য়ার পর’ মা’থায় চ’ক্কর দেও’য়া শু’রু কর’ল। হৃদ’য়ে আ’বার ব্যর্থ ম’নোরোথের মৃদঙ্গ’ ধ্বনি অনুর’ণিত হ’তে লাগ’ল। একটা পারি’তো পাঁচ’টা পারি’ না। দুইটা পারি’তো দশ’টা পারি না। মনে হ’চ্ছিল গত ১ বছ’র ধরে যা প’ড়েছি সব বৃ’থা গে’ল। মচ’কাব কিন্তু ভাঙ্গ’বো না এই পণ ছি’ল। কো’ন অবস্থা’তেই ভু’ল দাগা’নো যা’বে না। কা’রণ আমার’ অভিজ্ঞ’তা আ’মাকে বার’ বার’ মনে’ ক’রিয়ে দি’চ্ছে ‘৩৩ ও ৩’৪ এর ক’থা। আমি একই ভু’লের পুন’রাবৃত্তি ‘করতে চাই’ না। পরী’ক্ষা য’তই এগু’চ্ছিল আ’মার এ’কটা কথা’ মনে’ হচ্ছিল’ প্রশ্ন ‘কঠিন হ’য়েছে। ডাই’জেস্ট থে’কে, জব সলি’উশন থে’কে, বিগত’ বছরের প্র’শ্ন একেবা’রে না’ই। আমা’র মনে হয় রিপি’ট হয় না’ই। আর প্র’শ্ন ‘ক’ঠিন হ’য়েছে ‘সেটা আ’মি বু’ঝতে পে’রেছি আমা’র প্রস্তুতি’ কঠিন’ ছিল বলে’। পরীক্ষা দেও’য়ার পর আশেপা’শে যারা আ’ছে তারা এ’কেক ‘জন কে’উ ১৮০, ‘কে’উ ১৯০ কেউ ১’৭০ দা’গিয়ে’ছে এই র’কম বলাবলি’ কর’ছিল। এই’গুলো শু’নেতো আ’মি হ’তাশ। কার’ণ আ’মি দাগিয়েছি’ ১২৪ টা। এক ‘ধরনের ভগ্ন’হৃদয় নি’য়ে নিঃস্ব রিক্ত হ’য়ে বাড়ি চ’লে আসলা’ম। বাসা’য় এসে’ প্রশ্ন মিলেয়ে’ দেখলাম ‘মেরে কেটে ১’০৯। এই’ নম্বরে’তো আমি’ প্রিলিতে ‘আসবো না’ এইরকম মনে’ হ’চ্ছিল। কি’ন্তু প’রক্ষণে খোঁ’জ- খবর নিয়ে ‘জান’তে পারলাম যারা ‘১০০ এর উ’পর’ নি’চে থাকবে ‘তারা প্রিলি’ নি’শ্চিত। শু’নে মনে’ আনন্দে’র সুবা’তাশ ব’য়তে লাগল’। যাই’হোক প্রথম ‘বিসিএস ‘প্রিলিতে উর্ত্তীণ’ হলাম।’ ৩৬ তম বি’সিএস আ’বার গ’তানুগতি’ক হয়ে’ছিল সেই বা’র ১৪৩’টা দাগি’য়েছিলা’ম মেরে-কে’টে ১’২২ টা হয়ে’ছিল। ৩৭ ত’ম বিসি’এস অনে’কটা ৩৫তম বি’সিএসের ম’ত হয়ে’ছিল। তখন ১৩১টা দাগি’য়েছিলাম ১০৬ এর ম’ত হয়েছি’ল। ৩৮ তম বিসি’এসে ১৪৯ টা দাগিয়ে’ছিলাম মে’রে-কেটে ১২৮ হয়ে’ছিল। সব’গুলোতেই প্রি’লি উর্ত্তীণ হয়ে’ছিলাম। আমি শতভা’গ নিশ্চিত না’ হলে দা’গাতাম না। ৫০-৫০ চা’ন্স একেবা’রেই নিতা’ম না। নিলে’ও কদা’চিৎ। তার’পরও ভু’ল হয়ে’ যেত। ‘কারণ দা’গানো”র লো’ভ সামলা’নো ব’ড়ই কঠি’ন। আমি ‘৫০-৫০ ‘চান্স নিতাম যখন দে’খতাম আমার ১’০০+ হয়ে গেছে এবং ‘যেগুলো স্কিপ করে’ছিলাম সে’গুলো পরে’ চেষ্টা ক’রলে পার’ব তখন’। এইজ’ন্য পরীক্ষা’ চলা’কালে আ’মি একটা গু’ণা দি’তাম ক’য়টা শুদ্ধ হ’লো দেখা’র জন্য। অনে’কের কাছে বিষ’য়টা অতি’রঞ্জন মনে ‘হতে পারে’। বেশি বে’শি মডেল’ টেস্ট দেও’য়ার ‘কারণে’ আমি খুব দ্রু’ত দাগাতে’ পারতাম’। যার কার’ণে ১ ঘণ্টা ২০ মি’নিট বা ১ ঘণ্টা ৩০ মি’নিটে প্রথম’ রাউন্ড দাগা’নো হয়ে ‘যেত। যেগুলো’ পারতাম না’ সেগুলো প্রথম ‘রাউন্ডে ছোট ‘দাগ দিয়ে রাখ’তাম দ্বিতী’য় রাউন্ড ‘যতটুকু পার’তাম দাগা’তাম। আ’মি কারেক’শন করার সময়’ যেই গুলো’র কনফিউস উ’ত্তর থাকতো সে’গুলো যদি দাগা’তাম তা’হলে ভুল ধ’রে হিসা’ব কর’তাম। আমা’র এই লেখা’র মূল কথা হ’চ্ছে ভুল দা’গানো যাবে’ না। আ’র দা’গালেও সে’টা যেন মা’ত্রাতিরিক্ত না হ’য়।

লেখকঃ আবদুল-আল-মামুন

পেশাঃ  প্রভাষক, বাংলা, সাতকানিয়া সরকারি কলেজ

মেইলঃ mamunlecturersgc@gmail.com

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *