খুন-ধর্ষণ-নারীপাচার করেও পার পাচ্ছে কিশোর অপরাধীরা

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: খুন-ধর্ষ’ণ থেকে নারীপাচা’র সব অপরাধ করলে’ও সাজা হয় না কিশোর আই’নে। অভিযোগ প্রমাণ হ’লেও ঠাঁই হয় সংশোধন’ কেন্দ্রে। তাই ‘অপরাধীরা অ’পকর্ম করতে এখন ‘অল্প বয়সীদের বেছে নি’চ্ছে। এই বাস্তবতায় কি’শোর অপরাধ ক’মাতে আইন সং’শোধনের তাগিদ দিয়ে’ছেন আইন’জ্ঞরা।

বছরের শুরু’তে রাজধানীর কাম’রাঙ্গীরচরে তুচ্ছ কারণে খুন’ হয় ১২ বছরের শিশু ‘সিফাত। ঘটনায় জড়ি’ত প্রত্যেকের বয়স ‘ছিল ১০-১৪ বছরে’র মধ্যে। তাই গ্রেপ্তা’রের পর হত্যার কথা স্বীকা’র করলেও তাদের ঠাঁই হ’য় কিশোর সং’শোধন কে’ন্দ্রে।

বরগুনায় রি’ফাত হত্যায় ২৪ আসামির ম’ধ্যে ১৪ জনই ছিল অ’প্রাপ্তবয়স্ক। তারা প্রকা’শ্যে খুন করলেও তা’দের সর্বোচ্চ সা’জা হয়’নি।

শুধু এই দুটি ঘ’টনা নয়, সম্প্রতি দেশে সংঘটিত অপরাধের মাম’লায় অভিযুক্তদের উল্লে’খযোগ্য সংখ্যকের বয়স ১’৮ বছরের নিচে। ফ’লে সহজে’ই জামিন পাচ্ছে অপ্রাপ্ত’বয়স্ক অপরাধীরা। আবা’র গুরুতর অপরাধে সাজা’ও কম হচ্ছে। এই কারণে কি’শোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে’ অভিযান ‘চালি’য়েও ফল পাওয়া যা’চ্ছে না। সম্প্রতি রাজধানীর হাতিরঝিল ‘থেকে বিভিন্ন গ্যাংয়ের শতা’ধিক সদস্যকে আটক করা হ’লেও কিশোর হওয়ায় তাদের ছে’ড়ে দিতে হয়।

ডিএমপির এডিসি’ ইফতেখায়রুল ইসলাম বলেন, যখন কেউ অ’পরাধ করে ফেলছে তখ’ন আমরা তার বিরুদ্ধে আই’নগত ব্যবস্থা নি’চ্ছি। এরপ’র আদালত যে ব্যব’স্থা নেন সেখানে আমাদের ‘জায়গা থেকে কিছু ‘করার থাকে’ না।

বর্তমান আ’ইনে কিশোর অপরাধ দম’নে সীমাবদ্ধতা দেখছেন ‘বিশেষজ্ঞরাও।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যাল’য়ের অপরাধ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যা’পক জিয়া রহমান বলেন, আই’ন তো আছে কিন্তু তার ‘প্রয়োগ কতটুকু? ‘আবার ‘পুলিশ-জেল-আদালত এ’সব নানা সমস্যা। জামিন নি’য়ে বের হয়ে যায় ‘আবার বিদেশ’ চলে’ যায়।

বাংলাদেশ সুপ্রি’ম কোর্টের ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল ও আই’নজীবী এবিএম ‘আব্দুল্লাহ আ’ল মাহমুদ ‘বাশার বলেন, কো’নো কিশোর হত্যা-ধর্ষণ, যে অপরাধই করুক ৩৪ ধা’রা অনুযায়ী ৩-১০ বছর সাজা হবে তার। এখন ১০ বছরের ওপরে তাকে স’শ্রম কারাদণ্ড দিতে পারবেন না, মৃ”ত্যুদণ্ড দিতে পারবেন’ না। তাই শিশু আইন সংশোধনের প্রয়োজন রয়ে’ছে, জামিনের যে ধারাগুলো তা সংশোধ’নের প্রয়োজন রয়েছে। এই বয়’স ১৮ থেকে ক’মিয়ে সর্বোচ্চ ১৪ করা যে’তে ‘পারে।

আইন’জ্ঞরা মনে করেন, গুরুতর অপরা’ধে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান করলে সব বয়’সীরাই ভয় পাবে, অপরাধ প্রবণতা কম’বে। এজন্যে শিশু-কি’শোর আইন সংশোধ’নের বিকল্প নে’ই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *