পাত্রী দেখতে গিয়ে পছন্দ, প্রেম করে ধর্ষণচেষ্টা

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: গাজী’পুরের কাপাসিয়া উপজেলা”য় নিজের বিয়ের পাত্রী দেখতে গিয়ে’ পছন্দ হয়ে ‘যায় নাছির উদ্দিন সেলি’মের। ও’ই মেয়ের ‘পরিবারকে বিয়ের আশ্বাস দেন। এরপরই তার সঙ্গে গড়ে তোলেন ‘প্রে’মের সম্পর্ক’। এ সুযোগে তাকে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন তিনি। এক স’ময় ধর্ষণ’চেষ্টাও করেন।

জানা গেছে, ধর্ষণচে’ষ্টার অভিযোগে নাসির উদ্দিন সে’লিমের নামে মামলা ‘করেন ভুক্তভোগী মেয়ে। ১’৪ এপ্রিল শ্রীপুর থা’নায় মামলা ‘করা হয়। অভিযুক্ত নাসির গাজীপুরের ‘কাপাসিয়া উপজেলার ‘বড়িবাড়ি সরকারি প্রাথমিক ‘বিদ্যালয়ের শিক্ষক। এদিকে মা’মলার তদন্ত ক’রে ২ মা’সের মধ্যে আদালতে অভিযোগপত্র জ’মা দেয় পুলিশ। অভিযোগ প্রাথমিকভাবে প্রমা’ণিত হয়েছে বলে ‘পুলিশ উল্লেখ’ করে।

অভিযোগ থেকে জানা যায়, পাত্রী দেখে আসার বেশ কিছুদিন পর বিয়ের কথা বলে সেলিম শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দেন পাত্রীকে। কিন্তু পাত্রী তার প্রস্তাবে না করে দেন। এরই মাঝে বিয়ের দিন-তারিখ ঠিক করতে অভিযুক্ত শিক্ষক কিশোরীর বাড়ি যান। সেখানে আলোচনার ফাঁকে তাকে একা ঘরে ডেকে নেন। উভয়ের কথাবার্তার মধ্যেই ঘরের দরজা বন্ধ করে ধর্ষণের চেষ্টা চালান শিক্ষক। পরে পাত্রীর চিৎকারে তার স্বজনরা এসে তাকে উদ্ধার করে। এ সময় পালিয়ে যান অভিযুক্ত সেলিম।

পাত্রীর পরিবারের অভিযোগ, এ ঘটনায় মেয়েটি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। ভেঙে গেছে তার বিয়েও।

ভুক্তভোগী বাবার ভাষ্য, একজন শিক্ষকের কাছ থেকে এমন আচরণ আশা করিনি। তার জন্যই এখন মেয়ের জীবন অনিশ্চিত। তারা সামাজিকভাবে হেয় হয়েছেন এ শিক্ষকের কারণে। এ ঘটনার বিচার চেয়ে থানায় মামলা করেছেন। অভিযোগ করেছেন বিভিন্ন দপ্তরে। উল্টো বিচার তো পাননি, প্রতিনিয়ত তাদের দেখে নেওয়ার হুমকি দেন ওই শিক্ষক।

এদিকে অভিযুক্ত ওই শিক্ষক গাজীপুরে প্রাইমারি টিচার্স ট্রেনিং ইনস্টিটিউটের (পিটিআই) প্রশিক্ষণে অংশ নিয়েছেন।

অভিযুক্ত শিক্ষকের ভাই লুৎফর রহমান বলেন, এ ঘটনার পর থেকেই ভাইয়ের কোনো খোঁজ নেই। যেহেতু বিষয়টি নিয়ে মামলা হয়েছে। আমরা এখন সেখানেই ফয়সালার অপেক্ষায় আছি।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, শিক্ষকের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টার একটি মামলার কথা শুনেছি। এর সপক্ষে কোনো ডকুমেন্ট নেই। শিক্ষকও নিজে মামলার কথা আমাদের জানাননি। খোঁজ নিয়ে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ মামলার তদারকি কর্মকর্তা শ্রীপুর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কামরুল ইসলাম বলেন, ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত শিক্ষক সেলিম পলাতক। তাকে গ্রেপ্তারে একাধিকবার অভিযান চালানো হলেও গ্রেপ্তার করা যায়নি।

তিনি আরও বলেন, তদন্ত করে তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র আদালতে জমা দেয়া হয়। তদন্তের মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে অভিযোগের প্রাথমিকভাবে সত্যতা পাওয়া গেছে। সরকারি কর্মকর্তা হিসেবে মামলার বিষয়ে শিক্ষা কর্মকর্তাকেও চিঠি দিয়ে অবহিত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *