যুবককে বেধড়ক পেটালেন চেয়ারম্যান

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: চুরির অভি’যোগে এক যুবককে গলা’য় গামছা পেঁচিয়ে বেধড়ক পেটাচ্ছেন এক ইউপি ‘চেয়ারম্যান। এমন এ’কটি ভিডিও এখন সামা’জিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়ি’য়ে পড়েছে। এমন নির্মম নির্যাতনের’ ভিডিও দেখে অনেকে ‘বিস্ময় প্রকাশ’ করেছেন।

ভিডিওতে দে’খা যাচ্ছে, চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপ’জেলার চ’রবাগডাঙ্গা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহীদ রানা টিপু একটি কক্ষে’ লাঠি দিয়ে এ’ক যুবককে বেধড়ক পে’টাচ্ছেন। এ সময় ওই যুবককে বারবার তার প্রাণ ‘ভিক্ষা চাইছেন। দুই মিনিট ৩০ সেকেন্ডের ভিডি’ও-তে দেখা যাচ্ছে ‘গলায় গামছা আট’কিয়ে বেশ কিছু মানুষের সাম’নে ওই যুবককে বেধড়ক পে’টাচ্ছেন চেয়ার’ম্যান টিপু।’

এসময় ওই যুব’ক নির্যাতনের হাত থেকে রেহায় পেতে বারবার চেয়ারম্যা’নকে আব্বা সম্বোধন করে তাকে নির্যাতন ‘না করার আকু’তি জানাচ্ছিলে’ন। এমনকি আশপাশের মানুষজনও নির্যাতন না করার জন্য চেয়া’রম্যানকে অনুরোধ করছেন কিন্তু ‘কোনো কিছুতেই ক’র্ণপাত করেননি চেয়ারম্যান শা’হীদ রানা টিপু। বেশ কয়েক মিনিট ধরে চালাচ্ছেন বেধ’ড়ক নির্যাতন। এক পর্যায়ে গলায় ‘গামছা পেঁচিয়ে টে’নে হিঁচড়ে নিয়ে যায় চেয়ার’ম্যান টিপু।

জানা গেছে, বাইসাই’কেল চুরির সন্দেহে বাজার থেকে’ এক যুবককে তুলে এনে বেধড়ক পিটিয়ে’ছেন ইউপি চেয়ারম্যান শাহী’দ রানা টি’পু।

চেয়ারম্যানে’র দাবি, সাইকেল (সাইকেলের মালিককে) চু’রি যাওয়া ব্যক্তিকে সান্ত্বন দিতেই’ ওই যুবককে শান্তি ‘দিয়েছেন তিনি’।

নির্যা’তনের শিকার যুবক বলছেন, তিনি ‘বাইসাইকেল চু’রি করেন’নি।

ভুক্তভো’গী শহিদুল ইসলাম জানান, গত রোব’বার বিকালে চরবাগডাঙ্গা বাজারে ধাক্কা’লেগে একটি বাইসাইকেল প’ড়ে যায়। সাইকেলটি’ তুলতে গেলে চোর সন্দেহে ‘মারধর শুরু করে স্থানীয়রা। একপর্যায়ে টিপু চেয়া’রম্যান তাকে ধরে নিয়ে এ’সে গলায় গামছা পেঁচিয়ে বে’ধড়ক পেটানো শু’রু করেন। আমি প্রাণ বাঁ’চাতে বারবার আকুতি জানা’লেও শোনেননি চে’য়ারম্যান।

সাবেক ই’উপি চেয়ারম্যান ওমর আলী’ বলেন, আমিও দীর্ঘদিন এই ইউপি প’রিষদে চেয়ারম্যানের দায়ি’ত্ব পালন করেছি। কি’ন্তু ‘এভাবে ‘ক’খনও নিজের হাতে আই’ন তুলে নেইনি। কোনো ব্যক্তি আ’ইন নিজের হাতে তুলে নি’য়ে এ ধরনের নির্যাতন ‘করতে পারেন না। এটা আইনত শাস্তি’যোগ্য অপরাধ।

যুবককে’ নির্যাতনের বিষয়টি স্বীকার করে ই’উপি চেয়ারম্যান শাহীদ রানা ‘টিপু সাংবাদিকদের জানান, ‘বাইসাইকেল চুরি যাওয়া ব্যক্তি’কে সান্ত্বন’ দিতেই একটু মারধর ক’রেছি। তাকে শিক্ষা দিতেই উপ’স্থিত সাধারণ জনগণ মা’ঝ থেকে আমি তা’কে নিয়ে আ’সি।

এ সময় তি’নি উল্টে প্রশ্ন করেন, আমি’ কি তাকে দুইটা বাড়ি’ মারতে পারি না? আমার’ অধিকার ‘নাই?

চাঁপাইন’বাবগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা ইফফা’ত জাহান সাংবাদিকদের ব’লেন, এ বিষয়ে কোনো’ অভিযোগ পা’য়নি। যদি কে’উ অভিযোগ করেন তা’হলে তদন্তের পর আমরা আই’নানুগ ব্যবস্থা গ্রহ’ণ করব’।

সুত্রঃ যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *