ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে যা বললেন

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: দেশে ডিজেল ও কেরোসি’নের প্রতিলিটার ১৫ টাকা মূল্যবৃ’দ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা হ’চ্ছে বলে অভিযোগ করেছে’ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসি’নার ছেলে ও তার তথ্যপ্রযুক্তি ‘বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়া’জেদ।

শনিবার’ (৬ নভেম্বর) নিজের ফেসবুক পেজে এক ‘স্ট্যাটাসে দিয়ে এমন অভিযোগ করেন ‘তিনি।

‘ডিজেলের মূ’ল্যবৃদ্ধি ও কিছু তথ্য: গুজব থেকে দূরে থাকুন- সত্য তথ্য ‘জানুন’ শিরোনামে দেওয়া ওই ফেসবুক পোস্টে তিনি ‘লিখেছেন, ‘দেশে সম্প্রতি ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির পরিপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন বিভ্রান্তি ছড়ানোর অপচেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে ২০১৩ সালে দেশে ডিজেলের মূল্য ছিল লিটারপ্রতি ৬৮ টাকা, পরবর্তীতে ২০১৬ সালে লিটারপ্রতি ৩ টাকা কমিয়ে ৬৫ টাকা করা হয়। এরপর গত সাড়ে পাঁচ বছরে দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্যবৃদ্ধি হয়নি।’

তিনি আরও লিখেছেন, ‘চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত আছে। এর ফলে ডিজেলের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন-বিপিসি ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন হয়। এ বছরের জুন মাসে লিটারপ্রতি ২.৯৭ টাকা, জুলাই মাসে ৩.৭০ টাকা, আগস্টে ১.৫৮ টাকা, সেপ্টেম্বরে ৫.৬২ টাকা এবং অক্টোবরে ১৩.০১ টাকা ভর্তুকি দিতে হয়েছে। এতে গত সাড়ে পাঁচ মাসে ডিজেলের জন্য বিপিসির লোকসান হয়েছে প্রায় ১১৪৭.৬০ কোটি টাকা। একইসঙ্গে ডলারের মূল্য ২০১৬ সালে ৭৯ টাকা থেকে চলতি মাসে ৮৫.৭৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। ফলে ডলারে মূল্য পরিশোধে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে।’

প্রতিবেশী দেশগুলোর তেলের মূল্য তুলে ধরে সজীব ওয়াজেদ লিখেছেন, ‘ভারতে জ্বালানি তেলের মূল্য কমার পরও পশ্চিমবঙ্গে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ৯০ রুপি বা ১০৪ টাকা, দিল্লিতে ৯৮.৪২ রুপি বা ১১৪ টাকার সমান। নেপালেও এই মূল্য ১১২.৩৯ নেপালি রুপি বা ৮১ টাকা। প্রতিবেশী এসব দেশের চেয়ে আমাদের মূল্য কম রয়েছে। এ কারণে আবার চোরাকারবারিরা এখান থেকে প্রতিবেশী দেশে ডিজেল পাচার করছে।’

‘সরকার ক্রমাগতভাবে জ্বালানি তেলের ক্ষেত্রে হাজার হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে আসছে। এর ফলে এ দেশে দাম কম থাকায় বিদেশে পাচার হয়ে যাচ্ছে, যা রোধকল্পে এই মূল্যবৃদ্ধি এবং এ নিয়ে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই’—লিখেছেন তিনি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.