অটো গাড়ির বিনিময়ে নবজাতক বিক্রি!

Spread the love

বার্তাবহ চাঁদপুর ডেস্ক: অভাবের তা’ড়নায় অটো গাড়ির বিনিময়ে ‘নবজাতককে বিক্রি করে দি’চ্ছেন মো. আলম মৃধা (৬’০) নামে এক অভাবী’ বাবা। এ’ নিয়ে পটুয়াখালীর দশমি’নায় চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি’ হয়েছে।

তিনি উপজে’লার সদর ইউনিয়নের নলখোলা বন্দ’রের মৃত কাদের’ মৃধার ‘ছেলে।

সন্তানের ভ’রণপোষণের অর্থ জোগান দিতে পারছে’ন না বলে তিনি নিজের সন্তানকে’ একটি বোরাক অটোর বিনিম’য়ে বিক্রি করে ‘দেবেন বলে’ জানান। ভাড়ার টা’কা না থাকায় দুদিন আগে জন্ম’ নেওয়া সন্তানটিকে এক’বারের জন্যও দেখতে ‘পারেননি ওই হতভা’গা বাবা।

সরে’জমিন গিয়ে জানা যায়, মো. আলম মৃধা ৪৫ বছর আগে বাঁশবাড়িয়া ই’উনিয়নের চরহোস’নাবাদ গ্রামের আনন্দ মে’লা সিনেমা হল ‘এলাকার জয়নাল হাওলাদা’রের মেয়ে চন্দ্রি বিবিকে বিয়ে ক’রেন। চন্দ্রি বিবি ২০ বছর আগে’ মারা যান। প্রথম ‘স্ত্রীর সংসারে ৫ ছেলে ও এ’ক মেয়ে রয়েছেন’ বলে জানান ‘তিনি।

আলম মৃ’ধা অভাবী হওয়ায় ‘তিনি বিয়ের পর থেকেই’ স্ত্রীর বাড়িতে থাকতে’ন। প্রথম স্ত্রী চন্দ্রি বিবি মা’রা যাওয়ার ৭ বছর পর তিনি বহরম’পুর ইউনিয়নের আদমপু’র গ্রামের করিম হাওলাদারের ‘মেয়ে হাওয়া বিবিকে দ্বিতীয় বিয়ে ক’রেন। দ্বিতীয় স্ত্রীর ঘরে এ’কটি ছেলে ও এ’কটি মেয়ে সন্তানে’র জন্ম দেন’ তিনি।

আলম মৃধা জানান, প্রথম স্ত্রীর’ ঘরেই তিনি তার ছেলে স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ব’সবাস করেন। ওই ঘরের বা’রান্দায় ঠাই হয়েছে তা’র। ছেলের টানা’টানির সংসারে খেয়ে না খেয়ে দিন ‘কাটান তিনি। অভাবের ‘কারণে দ্বিতীয় ঘরের স’ন্তানদের মুখে খাবা’র তুলে দিতে পা’রেন না।

এর পরও সবশেষ’ দুদিন আগে একটি ছেলেস’ন্তানের জন্ম দেন তার স্ত্রী হাওয়া’ বিবি। খোঁজ নিয়ে তিনি জেনে’ছেন সদ্য জন্ম ‘নেওয়া ‘তার সন্তানটি তার মায়ের বুকের দু’ধ পান না। সন্তানকে যে দুধ কি’নে খাওয়াবেন সেই সামর্থ্যও তার’ নেই। সদ্য সন্তান জন্ম নেওয়া ‘ছেলেশিশু’র জন্য একদিকে তার জন্য যেমন আনন্দের, ঠিক তেমনি আবার বেদনারও।

আর ভাড়া’র টাকার অভাবে মাত্র ১০ কিলোমিটার দূরে গিয়ে’ প্রিয় নবজাতক সন্তানের মু’খটি এখন পর্যন্ত ‘দেখতে পারে’ননি তিনি।

আলম মৃধা ‘আরও জানান, তিনি পরিচিত এক’জনের মাধ্যমে বান্দরবা’ন জেলার এক দম্পত্তির খোঁ’জ পেয়েছেন। যারা তার সন্তান’কে কাগজপত্রে লিখে পড়ে’ সই-স্বাক্ষর নিয়ে একটি নতুন অটো গাড়ির বিনি’ময়ে কিনে নেবেন। আ’লম মৃধার দাবি— ওই অটো ‘গাড়িটি চালিয়ে’ রোজগার করে তিনি অন্য সন্তা’নদের মুখে খাবার তুলে দে’বেন। অভাবের কারণেই’ তিনি বাধ্য হয়ে প্রিয় স’ন্তানকে বিক্রি করছে’ন বলে জানান তিনি।

আজ বুধবা’র ১০ নভেম্বর বান্দবানের ওই’ দম্পত্তি তাদের সদ্য নবজাতক’ সন্তানকে নিতে দশমিনায় আসছে’ন। আলম মৃধা আ’ক্ষেপ করে বলেন, সরকার যদি ‘আমাকে কোনো সাহায্য-সহযো’গিতা করেন, তা হলে আমি’ আমার সন্তানকে ‘বিক্রি কর’তে চাই না।

এ বিষয়ে দশ’মিনা উপজেলা নির্বাহী অফি’সার (ভারপ্রাপ্ত) মো. আবদুল কাই’য়ুম বলেন, বিষয়টি আপনার ‘মাধ্যমে জান’লাম। খোঁ’জখবর নিয়ে স’হযোগিতার চেষ্টা করা’ হবে।

সূত্র: যুগান্তর

Leave a Reply

Your email address will not be published.